গত বুধবার করিমপুরের একটি কর্মীসভা থেকে ফিরছিলেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী। ফেরার পথে কৃষ্ণনগরের নগেন্দ্রনগর এলাকায় একটি নতুন বিজেপির কার্যালয় উদ্বোধন করেন তিনি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিল পলাশীপাড়া নাকাশিপাড়া কালিগঞ্জ চাপড়া বিধানসভার এলাকার বেশ কিছু সংখ্যালঘু মানুষজন। বিজেপিতে যোগদানের এই অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন কৃষ্ণনগর রাজবাড়ির রানীমার বিজেপিতে যোগদান কিন্তু যোগদানের অব্যবহিত পরেই বিক্ষোভ শুরু হয় দলের অন্দরমহলে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন দলেরই একাংশ। জানা যাচ্ছে পুরনো বিজেপি কর্মী বলে পরিচয় দেওয়া এই গোষ্ঠী রাণীমার বিজেপি যোগদানের বিরোধিতা করছেন। বিতর্ক তৈরি হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়
ছড়িয়ে পড়া একাধিক পোস্টার নিয়ে। তাতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে "কৃষ্ণনগরের জন্য রানীমার অবদান কি?" অভিযোগ জানানো হয়েছে "টাকার বিনিময়ে অরাজনৈতিক ব্যক্তিকে ভোটের প্রার্থী করা হচ্ছে কেন সাধারণ মানুষ জবাব চায়"। কোথাও আবার অভিযোগ করা হচ্ছে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের বংশধর অমৃতা আসলে তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্রের ঘনিষ্ঠ বলে । প্রশ্ন করলে অমৃতা রায় বলেন "কার অবদান কতটুকু তা জেলা তথা রাজ্যবাসী সকলেই জানেন। আমি বিজেপিতে যোগদান করেছি বলেই যে আমি প্রার্থী হয়েছি এমন নয়, দল এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। কিন্তু ইতিমধ্যেই একশ্রেণীর মানুষ বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।" রাণী মা নিজের মুখে এ কথা বললেও বিজেপিতে যোগদানের দিন "জয়ী হয়ে ফিরবো" বলে দাবি করেন। তাই প্রশ্ন উঠছে সব মহলেই। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী অনেকটা ফিল্মি কায়দায় বলেন 'সমজদার কে লিয়ে ইশারাই কাফি হাই হ্যায়'। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া, এইসব প্রশ্ন ও অভিযোগ ঘিরে বিভ্রান্তি ক্রমশ ই বাড়ছে। লোকসভার বিজেপি প্রার্থী কে হবেন এটা এখন কৃষ্ণনগরবাসীর কাছে লাখ টাকার প্রশ্ন। প্রসঙ্গত কৃষ্ণনগর উত্তর বিজেপি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি। অর্জুন বিশ্বাস বলেন এগুলি বিজেপির কোন কর্মীর কাজ নয়। যারা করছেন তারা বিজেপি সেজে করছেন, আসলে তারা তৃণমূল। আমাদের দলে কোন গোষ্ঠী কোন্দল নেই।












